রফিক চৌধুরী:
রাজধানীর দারুস সালাম থানার লালকুঠি এলাকায় একটি আবাসিক হোটেলে হামলা, ভাঙচুর, মারধর ও লুটপাটের অভিযোগে সাতজনের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫-১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ মে রাত আনুমানিক ৮টা ৪০ মিনিটে লালকুঠি মাজার রোড এলাকায় অবস্থিত ‘হোটেল ঈগল’-এ একদল ব্যক্তি লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে প্রবেশ করে হামলা চালায়। হোটেলটির ম্যানেজার মো. শরিফুল ইসলাম রনির অভিযোগ, অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধভাবে হোটেলে অনধিকার প্রবেশ করে দরজা ও তালা ভাঙচুর করে এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি সাধন করে।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে লোহার রড দিয়ে আঘাত করলে তিনি মাথা সরিয়ে নিলেও কপালের বাম পাশে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন। পরে তাকে কিল-ঘুষি ও মারধর করে আহত করা হয়। এ সময় তার গলায় থাকা প্রায় এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন, একটি স্বর্ণের আংটি এবং পকেটে থাকা নগদ ৫৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
একই সময় হোটেলের সুপারভাইজার মো. ফেরদৌস তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ফেরদৌসের পকেটে থাকা ৬৫ হাজার ৩৩২ টাকাও নিয়ে যায় হামলাকারীরা।
ঘটনার পর আহতদের সহকর্মী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সহযোগিতায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা গ্রহণের পর পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে আলোচনা করে দারুস সালাম থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
মামলায় মো. ইউনুছ, মো. মোশারফ, মো. সজীব, মো. আরমান, মো. সাবেদ, মো. কামাল গাজী ও মো. সাহেদকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১৫-১৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
দারুস সালাম থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
রাজধানীর দারুস সালাম থানার লালকুঠি এলাকায় একটি আবাসিক হোটেলে হামলা, ভাঙচুর, মারধর ও লুটপাটের অভিযোগে সাতজনের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫-১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ মে রাত আনুমানিক ৮টা ৪০ মিনিটে লালকুঠি মাজার রোড এলাকায় অবস্থিত ‘হোটেল ঈগল’-এ একদল ব্যক্তি লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে প্রবেশ করে হামলা চালায়। হোটেলটির ম্যানেজার মো. শরিফুল ইসলাম রনির অভিযোগ, অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধভাবে হোটেলে অনধিকার প্রবেশ করে দরজা ও তালা ভাঙচুর করে এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি সাধন করে।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে লোহার রড দিয়ে আঘাত করলে তিনি মাথা সরিয়ে নিলেও কপালের বাম পাশে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন। পরে তাকে কিল-ঘুষি ও মারধর করে আহত করা হয়। এ সময় তার গলায় থাকা প্রায় এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন, একটি স্বর্ণের আংটি এবং পকেটে থাকা নগদ ৫৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
একই সময় হোটেলের সুপারভাইজার মো. ফেরদৌস তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ফেরদৌসের পকেটে থাকা ৬৫ হাজার ৩৩২ টাকাও নিয়ে যায় হামলাকারীরা।
ঘটনার পর আহতদের সহকর্মী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সহযোগিতায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা গ্রহণের পর পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে আলোচনা করে দারুস সালাম থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
মামলায় মো. ইউনুছ, মো. মোশারফ, মো. সজীব, মো. আরমান, মো. সাবেদ, মো. কামাল গাজী ও মো. সাহেদকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১৫-১৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
দারুস সালাম থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।